4/29/2015

দুদিন পরেই ছোট ভাই এসে বউকে নিয়ে গেল।

অফিস থেকে ফিরে বাসায় মধ্য বয়সী সুন্দরি মোটা তাজা বেশ বড় বড় দুধওয়ালি এক নতুন মহিলাকে দেখে জিজ্ঞ্যেস করলাম,কি ব্যাপার  কে?
বউ জবাব দিল যেকাজের মানুষ লাগবে নাকি খুঁজতে এসেছিল। কোথাও কেউ নেইআগে এক বাসায় কাজ করত তারা এখানথেকে চলে গেছে। এখন  যাবে কোথায় তাই রেখে দিলামবলেছি থাক এখানে। আমার বাসায় রিনা আছেকাজেই অন্য কারোযদি লাগে সেখানে চলে যাবি
বেশ ভালই করেছ। তা ওর গায়ের ব্লাউজটা দেখেছযে বাসায় থাকতো তারা কি এই ভাবেই রেখেছেএকটা ব্লাউজও দেয়নি?অন্তত তোমার একটাই দাও।
দেখেছিকিন্তু আমার ব্লাউজ ওর লাগবে না। দেখি কাল বাজারে গেলে একটা এনে দিব।
হ্যাঁ তাই দিওএমনি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকে মনে হয়। তা এর নাম কি?
হেনা।
কথা বলতে বলতে কাপড় বদলে হাত মুখ ধুয়ে খেতে বসেছি এমন সময় হেনা এসে জিজ্ঞ্যেস করলো আপা ছাদের কাপড়গুলিনিয়ে আসি?
যা দেখশুকিয়ে থাকলে নিয়ে আয়।
তখন একটু ভাল করে দেখলামবয়স একটু ভাটা পড়লেও এক কালে সুন্দরিই ছিল। দুধগুলি ব্লাউজ ছিঁড়ে শাড়ির আঁচলের উপরদিয়ে বেরিয়ে
আসতে চাইছে। তখন তেমন কিছু মনে হয়নিবউকে কাল রাতে একবার আবার সকালে ঘুম ভাঙ্গার পরে এক বার ইচ্ছা মতচুদেছি কাজেই ধোন খাড়াবার প্রশ্নই আসে না

যাচ্ছে এভাবে। রাত হলেই বউ আছেতাকে চুদি আর ওই হেনার দিকেতাকাবার দরকার হয়নি। কয়েক দিন পরে হঠাত করেই ফোন এলো যেবউয়ের ভাই আসছে সিঙ্গাপুর থেকেতাকে বাড়ি যেতে হবে। এদিকে আবারহেনার কোন কাজের সন্ধান হচ্ছে না। কি আর করা যাবে থাকুক।
আমি এসে তারপর দেখি। সেলিম সাহেবের বউ বলেছিল একজন মানুষেরকথা। উনি এলে দেখবআমি ঘুরে আসি। রিনা আছে অসুবিধা হবে না।

দুদিন পরেই ছোট ভাই এসে বউকে নিয়ে গেল।
এর ঠিক দুই দিন পর এক কাজে বেশ অনেক দূর হাঁটাহাঁটি করতে হলো।অনেক রাতে বাসায় ফিরলাম।
হেনা জিজ্ঞ্যেস করলোভাই এতো দেরি করে ফিরলেন আজ?
হ্যাঁবলিস নাঅনেক দূরে এক গ্রামে গেছিলাম। সেখানে আবার রিকশাটিকসা কিছু নেই। কাঁচা মাটির রাস্তা দিয়ে সারা দিন হাঁটাহাঁটি করে কাহিলহয়ে গেছি।
যানআপনে হাত মুখ ধুইয়া আসেনআমি ভাত তরকারি গরম করি
খেয়ে সিগারেট জ্বালিয়ে একটু টিভির সামনে বসলাম। রিনা আগে থেকেই কার্পেটে বসে টিভি দেখছিল। রিনাও বেশ দেখতেশুনতে খারাপ না। বড় বড় দুধ কামিজের বাধ মানতে চায় নাওড়না ছেড়ে মাঝে মাঝেই বেরিয়ে আসতে চায়। হেনা আসারপর রিনা একটু আরাম পেয়েছে। এর মধ্যে হেনা রান্নাঘরের কাজ সেরে এসে রিনার পাশে বসল। এদিকে আমার সমস্ত শরীরবিশেষ করে দুই পা ব্যাথায় টনটন করছেকোমরেও কেমন লাগছে। সোফার হাতলে হেলান দিয়ে একটু কাত হয়ে টিভি দেখছি।একটা বাংলা সিনেমা চলছে।
রিনাকে বললামএই রিনা আমার পা গুলি একটু টিপে দেতো।
সারা দিনের ক্লান্তির পর রিনার পা টেপার আরামে চোখ প্রায় বন্ধ হয়ে আসছে।
হেনা বলল যান ভাই শুয়ে পড়েনআপনেরে খুব ক্লান্ত লাগতেছে।
হ্যাঁ যাইআর একটু টিপে দিক।
ওই ছেমরি ভাল কইরা টিপ। এমনে টিপে নাকিসর তুই আমারে দেদেখ কেমনে টিপে।
বলেই ধাক্কা দিয়ে রিনাকে সরিয়ে দিয়ে  নিজেই টেপা শুরু করল। হেনার উষ্ণ স্পর্শ পেয়েই সমস্ত শরীরে কেমন যেন একটাভাব হলো। একটু পরেই সিনেমা শেষ।

রিনা বলল আমি যাই শুইবলেই উঠে চলে গেল।
আমার ঘুম আসতে চাইছে। হেনাকে বললাম চল আমি শুই আর তুই পা টিপেদে। ঘুমিয়ে পরি।
তাই করেনআপনের ঘুম আইতেছে বুঝছি।
বিছানায় এসে শুয়ে পড়লাম। হেনা খাটের নিচে বসে হাঁটু পর্যন্ত পা টিপে দিচ্ছে।
কিরে আর একটু উপরে দে না?
বলার পর  লুঙ্গির উপর দিয়ে টিপতে লাগল। আমি লুঙ্গিটা কোমর পর্যন্তউঠিয়ে দিলাম।
দে এবার কোমরে দে।
এর মধ্যে  পাশ  পাশ করতে করতে লুঙ্গির গিঁট খুলে গেছেকোন ভাবেকোমরে পেঁচিয়ে আছে। কোমর টিপা হলে আবার চিত হয়ে বললামদে আবারএকটু এখানে দেবলে কোমরের নিচে রান দেখিয়ে দিলাম। লুঙ্গিতো আগেই উঠান ছিল। ওই ফাঁকে ধোন মিয়া বের হয়ে আছে।আমি বুঝতে পারছি খাড়া হচ্ছে। আস্তে আস্তে আমার মনে কাম ভাব জেগে উঠছে। ধোন বাবু খাড়া হয়ে গেছে। মাঝে মাঝেহেনার দুধের সাথে ছোঁয়া লাগছে

প্রতি রাতে অন্তত এক বার চুদি। তার মধ্যে আজ দুই রাত কোন চুদা চুদির কারবার নেইধোনের কি দোষএতো কাছে ভুদাথাকলে ধোন খাড়া না হয়ে পারে না। তার পর আবার মাঝে মাঝে অচেনা নতুন দুধের ছোঁয়া লাগছে। ধোন এক্কেবারে খাড়ামাস্তুলের মত হয়ে গেছে। ঘরে কোন লাইট নেই। পাশের ঘরে যেখানে খাবার টেবিল ওখানে লাইট জ্বলছেতার থেকে যা আলোআসছে। চোখ মিটমিট করে দেখি হেনা মাঝে মাঝে ধোনের দিকে তাকায় আবার পায়ের দিকে। হাতেও কেমন একটা ছন্দহীনগতিপ্রায়ই থেমে যেতে চায়। বুঝলাম খাড়া ধোন দেখে ওর মনে কিছু ওলট পালট হচ্ছে। এবার ওর দিকে কাত হয়ে শুতেইধোন গিয়ে লাগলো একেবারে দুধের সাথে। হাতটা টেনে ধোন ধরিয়ে দিয়ে বললাম এবার এটা একটু টিপে দে। ধরিয়ে দিতেইহেনা এমন ভাবে ধোন ধরলো আর ছাড়তে চাইছে নাক্রমেই হাতের চাপ বাড়ছে। টেপাতো দূরের কথা ধোন ছাড়তেই চাইছেনা। দেখি  কি করে। বেশ কিছুক্ষন কেটে গেল। নাহকোন পরিবর্তন নেইএক ভাবে লোহার মত শক্ত খাড়া ধোন ধরেইআছে।
কিরে ধরে রেখেছিস কেনটিপে দে।
এইটা আবার কেমনে টিপে?
কেন এই এতক্ষন যে ভাবে টিপলি। আচ্ছা থাক টিপতে হবে নাতুই এই রকম করবলে খ্যাঁচা দেখিয়ে দিতে চাইলাম। কিন্তু কিছুতেই হাত ঢিল দিচ্ছে না।
বুঝলাম কত দিনের উপোষি কে জানে। উঠে বসে লুঙ্গিটা এক পাশে সরিয়ে রাখলামদরজা খোলা দেখে হঠাত রিনার কথা মনেহলো। না  এতোক্ষনে ঘুমিয়ে পড়েছেকাজেই ভয় নেই। এদিকে হেনা ধোন ধরেই রেখেছে কাজেই আমি বেশি সরতেও পারছিনা। ওই ভাবেই ওকে ধরে আমিও ওর পাশে নিচে নেমে কার্পেটের উপর বসে টান দিয়ে শাড়ির আঁচল সরিয়ে ব্লাউজের হুক খুলেফেললাম। বাব্বা এতো বড় দুধমনে হয় যেন দুইটা ফুটবল ঝুলছে
দেখে অবাক হলাম। ওর শ্বাস বইছে খুব দ্রুতশব্দ পাচ্ছি। দুধে হাত দিয়েই দেখিবোঁটাগুলি বুলেটের মত শক্ত হয়ে আছে। কিছুক্ষন টিপলাম।  কিন্তু ধোন ছাড়ছে না।ক্রমেই চাপ বাড়ছে। ধোনের মাথায় ব্যাথা পাচ্ছি। খাড়া ধোন এমনভাবে চেপে ধরলেমাথায় ব্যাথা লাগে।
ওটা এমন করে ধরে রেখেছিস কেনতোর লাগলে বল দিয়ে দেই।
এত বড় দুধ জীবনে দেখিনি। একটু খেতে ইচ্ছা হলো। বুলেটের মত শক্ত একটা বোঁটা মুখেনিয়ে চুষতে লাগলাম আর  ঝাকি দিয়ে উঠল। আবার আর একটা চুষলাম। একটাএকটা করে চুষছি আর হাতে টিপছি। এবার বিশাল দুই দুধ ধরে দুই বোঁটা এক সাথে নিয়েচুষলাম। দুই হাত দিয়ে দুধের দু পাশ থেকে চেপে রেখেছি যেন বোঁটা সরে না যায়। দুইবোঁটা এক সাথে চুষা শুরু করতেই হেনা আর ঠিক থাকতে পারলো না। উহ উহ করছে,আর ওদিকে ধোনের উপর চাপ আরো বেশি হচ্ছে। না আর দেরি করা যায় না। ধোনেরমাথা দিয়ে গরম শিরা গড়াচ্ছে। দুধ ছেড়ে দিয়ে ওকে শুইয়ে দিলাম। এই এতক্ষনে হেনাধোন ছেড়ে দিল
ব্লাউজতো আগেই খোলা শুধু গায়ে আছেকিন্তু দুই পাশে ঝুলছে। শাড়ি পেটিকোট উপরেউঠিয়ে দিতেই  নিজে থেকে দুই পায়ের হাঁটু ভেঙ্গে উপরে তুলে পা ফাঁক করে দিল। আমি ওর ভুদার সামনে ধোন নিয়ে একহাতে ধোনের মাথা দিয়ে ওর ভুদায় লাগাতেই দেখি সাগরের স্রোত বইছেভেজা চুপচুপে। কিছুক্ষন ভুদার দুই ঠোঁটের উপরেঘসাঘসি করলামবিশেষ করে উপর ঠোঁটের সঙ্গযোগ যেখানে। ওদিকে ওর কোমর কেঁপে কেঁপে উঠছে। ঘসতে ঘসতেই পুচুতকরে কাম রসে ভেজা ভুদার ভিতর মাথাটা ঢুকে গেল। আর দেরি করলাম নাদিলাম এক ঠাপ। এক ঠাপেই হেনার কুয়ার মধ্যেআমার বিখ্যাত  ইঞ্চি ধোনের সবটুকই পক করে ঢুকে গেল। হেনা উহহহ বলে সুখের একটা মৃদু চিতকার দিল। কিছুক্ষন এইভাবে ধরে রাখলামমাঝে মাঝে ধোন দিয়ে চাড়া দিচ্ছি।
 বলল কত্ত বড়!!! ওহহহহহহহহহ।
এই বার শুরু করলাম ঠাপানিমিনিটে ৫০/৬০ এর কম না। অনেকক্ষন ঠাপ মারলাম।
কিরে কেমন লাগছে?
খুব ভাল ভাইজান।
এই বার ওর বুকে শুয়ে পড়লাম। পিঠটা একটু বাঁকা করে বিশাল দুই দুধের মাঝে মাথা রেখে ওকে দুই হাত দিয়ে জাপটে ধরেআবার কিছুক্ষন ঠাপ মারলাম। ওর ভুদা থেকে ফচফচ ফচফচ শব্দ হচ্ছে
এবার মাথাটা উঠিয়ে ওর কানের কাছে মুখ এনে জিজ্ঞ্যেস করলাম কত দিন পর ঠাপ খেলি?
এই ধরেন আপনাগো এইখানে যতদিন ধইরা আইছি।
তার মানে এর আগের সাহেব তরে চুদতো?

রোজ না হইলেও / দিন পরে পরেই। ওই বেগম সাব খুব কড়া। এইবেগম সাহেবের মত নরম না। তয় বেগম সাবতো চাকরী করে। উনি যখনবাসায় থাকত না তখন সুযোগ পাইলেই সাহেব আমারে ডাইকা বিছানায়যেইখানে বেগম সাহেবরে চুদেওইখানে নিয়া যাইত।
নিয়া কি করতকোন জবাব নেই। কিরে কথা বলছিস না কেনচুদত?
তাইলে কি বসাইয়া রাখত নাকিএইডা আপনে বুঝেন না?
এমন সময় রিনা ডাকল আফা আফাআপনে কই গেলেন?
ডাকতে ডাকতেই খোলা দরজা দিয়ে ঢুকেই মেঝেতে প্রায় নগ্ন আমাদেরযুগ্মভাবে দেখেই চট করে বের হয়ে গেল। আমি তাড়াতাড়ি হেনার ভুদা থেকেধোন বের করে লুঙ্গি না নিয়েই ঘর থেকে বের হলাম। রিনার উপর আমারঅনেক দিনের লোভ ছিলযে খাড়া দুধশুধু বৌয়ের বাড়ির এলাকার মানুষবলে মান সন্মানের ভয়ে কিছু করিনি আর তা ছাড়া ওর বোনতো আর অভুক্তরাখেনি। যখন যা চেয়েছি তাই দিয়েছে। ঘরের খেয়ে পেট ভরলে কি আর হোটেলের খাবারে মন চায়কিন্তু আজএখন উপায়কিকোন সাক্ষী রাখা যাবে না। যেভাবেই হোক ওকেও এর মধ্যে জড়াতে হবে নইলে ওর আফা এলেই বলে দিবে
ঘর থেকে বের হয়েই সোজা ওর ঘরে গিয়ে ওকে ধরে টেনে নিয়ে আসতে চাইলাম। কিছুতেই আসবে না। আমার লুঙ্গি ছাড়া নগ্ন শরিরের দিকে দেখেই বললো আমিযাবো না। আয়জোর করেই টেনে নিয়ে এলাম। এখানে এসে দেখি হেনাকে যেভাবেরেখে গেছি  ওই ভাবেই পড়ে আছে।
আমাদের দেখে উঠে রিনার কামিজের চেইন ধরে টেনে জোরাজোরি করে খুলেফেললো। রিনা খুবই জোরাজোরি করছিলো কিন্তু হেনার জোরের সাথে পেরেউঠেনি।
কামিজ খোলার সাথে সাথেই হেনা আমাকে বললভাইজান আপনে অর দুধে চুষনদেনদেখেন কেমনে ঠান্ডা হয়।
তাই করলামওর দুধের বোঁটাগুলি বেশ বড় বড়
রিনা সাথে সাথে দুই হাতে দুধ ঢেকে রাখতে চাইল কিন্তু হেনা আবার ওর একটা হাতচেপে ধরে রাখল। আমি আর দেরি না করে ওর অন্য হাত ধরে রেখে একটা বোঁটামুখে পুরে দিলামচুষতে খুব আরাম। রিনা টেনে ছাড়িয়ে নিতে চাইলেই দিলাম এককামড়। আর এক হাতে ওর অন্য দুধ টিপতে লাগলাম। দুধে কামড় খেয়ে  নিস্তেজহয়ে গেল। ওর দুধ বেশি জোরে টিপা যাচ্ছে নাভিতরে বিচিনতুন দুধতোকেউ এখনো টিপেওনি বা চুষেওনি। আমি রিনারদুধ চুষছি আর ওদিকে হেনা রিনার পাজামা খুলে ওর ভুদা হাতিয়ে দিচ্ছে। একটু পরে হেনা বলল নেন ভাইজান দেখেনএই বারওরে দেনদেখেন ভিজা গেছে। হাত দিয়ে দেখি সত্যিই ভিজে গেছেজোয়ার এসেছে
দুধ ছেড়ে রিনার দুই পায়ের ফাঁকে বসলাম। এর মধ্যে জোরাজোরি করতেকরতে ধোন মিয়া একটু ঝিমিয়ে পড়েছিলদুধ খেয়ে আবার জেগে উঠেছে।রিনার ভুদা ফাঁক করে ধরে ধোনের মাথা দিয়ে ঠ্যালা দিলাম কিন্তু নতুনভুদার ভিতর সহজে ঢুকল না। আরো জোরে ঠ্যালা দিয়ে ঢুকাতে হলোতাওশুধু মাথাটা ঢুকল। আর রিনা ব্যাথায় উহ বলে উঠল।
হেনা বলে এই মাগী চুপদেখ এহন বুঝবি কেমন মজা লাগে।
রিনার আর কোন সাড়া নেইচুপ করে পড়ে আছে। এই বার আস্তে আস্তে ঠ্যালাদিয়ে দিয়ে পুরোটা ঢুকিয়ে দিলাম। ইসসসসসসস নতুন ভুদার মজাই আলাদা!এক্কেবারে টাইটযেন ধোন মিয়াকে কামড়ে ধরে রাখতে চাইছে। শুরু করলামঠাপানি। মাগী প্রথমে একটু কোত কোত করে ছিলঠাপানি খেয়ে থেমে গেছে।
অনেকক্ষন ঠাপানর পর হেনা বললদেন ভাই এই বার আমারে আর একটুদেন। আমার আর বেশি লাগব নাএকটুখানি হইলেই হইবো।
রিনার ভুদা ছেড়ে হেনার ভুদায় ঢুকিয়ে দিযে আবার ঠাপালাম কিছুক্ষন। হেনার পুরানা ভুদা ঢিল হয়ে গেছেবেশি মজাপাচ্ছিলাম না। কিরে তর হয়েছেকন জবাব পেলাম না তবুও এখন রিনার ভুদাই মজা লাগছে। তাই হেনার ভুদা থেকে ধোনটান দিয়ে বের করে দিলাম রিনার ভুদায় ঢুকিয়ে। একটু ঠাপানো্র পর মাল বের হবার সময় হলো।
হেনাকে জিজ্ঞ্যেস করলামশিরা খাবি কে?
কি ভাই মাল বাইর হইবো?
হ্যাঁ।

অর ভিতরে দিয়েন নাওর নতুন ভুদা। গাভীন হইয়া যাইবশেষে এক বিপদে পড়বেন,আমার ভিতরে দেন। ওই মাগী ছাড়ভাইজানের ধোন ছাইরা দেদেন ভাই আমারেদেন।
বলেই জোর করে রিনার ভুদা থেকে ধোন টেনে বের করে নিজের ভুদায় ঢুকিয়ে দিল।
আমি জিজ্ঞ্যেস করলাম তুই যে নিবি তোর পেট হবে না?


পেট বাজতে দিলেতোদেহেন কি করি। আপনেখালি অর দুধ চুষতে থাকেন।
কিছুক্ষন ঠাপ দেয়ার পর যখন মাল বেরিয়ে আসারআগে ধোনের চরম অবস্থাচরম লোহার মত শক্তহয়ে গেল ঠিক তখনি হঠাত করেই ভুদা থেকেঝটকা দিয়ে ধোন বের করে মুখে ভরে চুষছে আরধোনের গোড়া ধরে খেঁচতে লাগল। আর সাথে সাথেই চিরিক চিরিক করে মনে হলো আধাকাপের মত ধাতু বের হয়ে গেল। ধাতু বের হবার পর ধোনের কাঁপুনি থামলে মুখ থেকেধোন বের করে ঢোক গিলে সব মাল খেয়ে নিল আর আমাকে রিনার দুধ ছেড়ে দিতেবলেই রিনার মাথা ধরে টেনে এনে ধোনটা ওর মুখে ভরে দিতে চাইল। রিনা মুখ খুলছেনা। দাঁত কামড়ে আছেমুখ খুলতে চাইছে না।
নে মাগী খাইয়া দেখ আবার আলাদা মজা।


মুখের দুই পাশের চোয়ালে চাপ দিয়ে মুখ খুলে পট করে  নিজেই ধরে ধোনটারিনার মুখে ভরে বললনে এবার চুষ আচুদা মাগী। চুইষা দেখ কত মজা।জীবনেতো কোন দিন ধোন খাইয়া দেখস নাইবুঝবি কেমনে। খাকাইলআবার যখন চুদবো তখন তুই মাল খাবিদেখবি কেমন মজা

3 comments:

বয়স ৩৭, আমি বর্তমানে এক গৃহবধূ

হায় বন্ধুরা, আমি তিতলি, বয়স ৩৭, আমি বর্তমানে এক গৃহবধূ, আমি এই সাইটের নিয়মিত পাঠক, কিন্তু লেখক হিসাবে এটি আমার প্রথম প্রচেষ্টা, তাই কিছু...